আকাশে স্যাটেলাইট ধ্বংসের পর কি পরিণতি হয়?

আকাশে স্যাটেলাইট ধ্বংসের পর কি পরিণতি হয়?

আমাদের পৃথিবীকে কেন্দ্র করে চারদিকে অসংখ্য উপগ্রহ ঘুরচ্ছে।এর মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক উপগ্রহ এবং কৃত্রিম উপগ্রহ।

যেই উপগ্রহ মনুষ্য তৈরি নয় সৃষ্টির অবদান তাকে প্রাকৃতিক উপগ্রহ বলে।আর মনুষ্য তৈরি উপগ্রহকে স্যাটেলাইট বলে।তবে আজকের আয়োজন শুধুমাত্র কৃত্রিম উপগ্রহ স্যাটেলাইট কে নিয়ে।

 

আকাশে স্যাটেলাইট ধ্বংসের পর কি পরিণতি হয়?
আকাশে স্যাটেলাইট ধ্বংসের পর কি পরিণতি হয়?

আপনি কি জানেন আকাশে কেনো স্যাটেলাইট পাঠানো হয়?

উত্তরঃ আবহাওয়া, যোগাযোগ, পর্যবেক্ষণ সহ নানা কাজে।

বর্তমানের এই আধুনিক সময়ে এসে স্যাটেলাইট অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।উন্নত দেশ থেকে শুরু করে অনেক বড় বড় কোম্পানিরও স্যাটেলাইট আছে।

তবে স্যাটেলাইট যতই যেমনই হোক না কেনো স্যাটেলাইট একটি যন্ত্র। আর যন্ত্র বা সৃষ্টির ধ্বংস হবেই একদিন।

আমাদের ব্যবহৃত অনেক জিনিস যেমন,টিভি,ফ্রিজ ইত্যাদি যেমন একটা সময়ে এসে নষ্ট হয়ে যায়,ঠিক তেমনি স্যাটেলাইটও একটা সময় অকেজো হয়ে যায়।

তবে টিভি-ফ্রিজ নষ্ট হলে ফেলে দেওয়া গেলেও স্যাটেলাইট কিন্তু ফেলে দেওয়া যায় না।তাহলে এখনিই প্রশ্নো জাগে তাহলে স্যাটেলাইট অকেজো হলে তা কি করে?

আজকের এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্যই আমাদের আজকের এই আয়োজন।

 

আপনার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু পোষ্টঃ

২০২৩ সালের জন্য ১৫টি নতুন ব্যবসায়িক আইডিয়া।

ব্লগিং কিভাবে শুরু করবেন?

 

তো চলুন আর দেরি না করে আর্টিকেলটি শুরু করা যাকঃ

বর্তমানে স্যাটেলাইকে ধ্বংসের জন্য ২টি উপায় রয়েছে।যার একটি হলো পুরোপুরি পুড়িয়ে ধ্বংস করা আরেকটি হলো পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে অনেক দূরে সরিয়ে দেওয়া।

এখন আপনার মনে প্রশ্নো থাকতে পারে স্যাটেলাই ধ্বংস করা দরকার কি?মহাশূন্যেতো এমনিতেই অনেক জায়গা তাহলে স্যাটেলাইট সরাতে হবে কেনো?

হ্যা, স্যাটেলাইট অবশ্যই সরাতে বা ধ্বংস করতে হবে।স্যাটেলাইট যদি একদম অচল বা অকেজো হয়ে পড়ে তাহলে তার মূল কক্ষে রাখা যাবে না।

কারন স্যাটেলাইট অকেজো হয়ে কক্ষে পড়ে থাকলে ভবিষ্যৎতে নতুন স্যাটেলাইট পাঠাতে কষ্ট হবে।

এমনিতেই মহাশূন্যে অনেক ময়লা আবর্জনা তৈরি হয়ে আছে।যার জন্য সকলের চিন্তা বেড়ে গেছে।তার মধ্যে আবার যদি নতুন অকেজো হওয়া স্যাটেলাইট না ধ্বংস করা হয় তাহলে পৃথিবী থেকে মহাশূন্যে ভ্রমণ অনেকটা কঠিন হয়ে যাবে।

আগে একটা সময় ছিলো যখন এই বিষয় নিয়ে তেমন মাথা ব্যাথা ছিলো না।তবে বর্তমানে মহাশূন্যে অধিক আবর্জনা বাড়ার কারনে দুর্ঘটনার ভয়ে থেকেই যায়।

আকাশে থাকা স্যাটেলাইট বা রকেটের সাথে অকেজো হওয়া স্যাটেলাইটের সংঘর্ষ মারাত্মক ক্ষতির কারন হতে পারে।

মনে রাখবেন কক্ষপথের সংঘর্ষ কিন্তু মারাত্মক আকারের হয়।সংঘর্ষের কারণে “কেস্লার ইফেক্ট” নামক চেইন রিয়েকশনের জন্ম দেয়।যার কারনে একটি সংঘর্ষ আরও অসংখ্য ডেকে নিয়ে আসে।

আর এই কারনেই মহাশূন্যে স্যাটেলাইট পাঠানের আগে সেটা কিভাবে সরানো হবে তা আগে থাকতে ঠিক করা থাকে।

 

জানুুন অকেজো স্যাটেলাইট কোথায় যায়

আমরা জানি অকেজো স্যাটালাইট দুই ভাগে সরানো হয়।তবে কোন স্যাটেলাইট কিভাবে সরানো হবে তা তার দূরত্ব দিয়ে নির্ণয় করা হয়।

স্যাটেলাইট যদি একবারে পৃথিবীর কাছাকাছি দূরত্বে থাকে তাহলে স্যাটেলাইটের শেষ জ্বালানি ব্যবহার করে তার গতি রোদ করা হয়।

এমনটা করার ফলে স্যাটেলাইট পৃথিবীর অভিকর্ষ টানের কারনে পৃথিবীর দিকে নেমে আসতে থাকে।

পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে কাছে যখন অকেজো স্যাটেলাইট এসে পড়ে তখন বায়ুমন্ডলের বাতাসের সাথে ঘর্ষণের কারনে উপরে থাকতেই পুড়ে যায়।

 

Picsart 23 08 08 21 22 28 750

 

আরেক ধাপ

অনেক স্যাটেলাইট আছে যেগুলো পৃথিবী থেকে অনেক দূরে পাঠানো হয় বা থাকে।যেহেতু অনেক দূরের কক্ষপথে থাকে তাই বেশি জামেলা না করে আরো দূরেই ঠেলে দেওয়াই উত্তম।এমনটা করার কারনে আরও খরচও কমে আসে।

তবে আগে জ্বালানি ব্যবহার করে স্যাটেলাইটের গতি কমিয়ে দিতে হবে।পরবর্তীতে দূরে ঠেলে দিতে হবে।

পৃথিবীর অনেক উপরের কক্ষে অভিকর্ষ বল কাজ করে না।ফলে কোনো খরচ ছাড়াই স্যাটেলাইট আরও উপরের দিকে চলে যায়।

শেষ কথা

আকাশে স্যাটেলাইট ধ্বংসের পর কি পরিণতি হয়? এই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করলাম।এই রকম রোমাঞ্চকর টেকনোলজি রিলেটেড আরো আর্টিকেল পেতে চোখ রাখুন Bloggersbd24.Com এ চোখ রাখুন ধন্যবাদ।

2 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *